ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে ‘মার্কেটিং ফেস্ট’

ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিতে ‘মার্কেটিং ফেস্ট’

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে তিন দিনের মিস্টার ম্যাঙ্গো ক্যান্ডি-ডিআইইউ মার্কেটিং ফেস্ট শুরু হয়েছে। গত রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭১ মিলনায়তনে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ ও ডিআইইউ মার্কেটিং ক্লাবের যৌথ আয়োজনে এই মার্কেটিং ফেস্টের উদ্বোধন করেন এসিআই লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আলমগীর।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গাজী টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমান আশরাফ ফায়েজ, বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরিফুল ইসলাম এবং অভিনেতা ও রক গায়ক জন কবির। ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম মাহবুব উল হক মজুমদারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ হামিদুল হক খান, বাণিজ্য ও অর্থনীতি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ ফররুখ আহমেদ, এন্টারপ্রেনারশিপ বিভাগের প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক শিবলী শাহরিয়ার প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক সাবিহা মতিন বিপাশা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ আলমগীর বলেন, যেকোনো ব্যবসার প্রাণ হচ্ছে মার্কেটিং। মার্কেটিংয়ে সফল না হলে প্রতিষ্ঠান টিকবে না। তাই বিপণন কর্তাদের ‘ম্যাজিক পিপল’ হতে হয়।

তিনি বলেন, এই জাদু মানে হচ্ছে উদ্ভাবন। নিজের মধ্যে উদ্ভাবনী শক্তি না থাকলে মার্কেটিংয়ে সফল হওয়া যায় না। এ জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের ছাত্রাবস্থা থেকেই উদ্ভাবনী চর্চা করার আহ্বান জানান।

নিজের কর্মজীবনের মার্কেটিং সেক্টরে কয়েক দশকের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে সৈয়দ আলমগীর আরো বলেন, মার্কেটিং সেক্টরে আমার অভিজ্ঞতা কয়েক দশকের। এসিআই লিমিটেডে আছি ১৮ বছর ধরে। এই দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, যখন যে কাজ করবে তখন সেই কাজে সম্পূর্ণ মনোনিবেশ থাকতে হবে। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের ভোক্তার কাছাকাছি যাওয়ার পরামর্শ দেন এবং ভোক্তার চাহিদা, প্রয়োজন ও পছন্দকে গুরুত্ব দিতে বলেন।

জন কবির বলেন, নিজেকে উপস্থাপন করার নামই মার্কেটিং। আপনি যত আকর্ষণীয়ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারবেন অর্থাৎ আপনার পণ্যকে উপস্থাপন করতে পারবেন, আপনি মার্কেটিংয়ে তত দ্রুত সফল হবেন। এখন মার্কেটিংয়ের নামে যে বুস্ট প্রথা চালু হয়েছে সেটা একটি ভুল পদ্ধতি বলে মনে করেন জন কবির।

শরিফুল ইসলাম বলেন, প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে হবে। আমরা বেশির ভাগ মানুষই এই পার্থক্য করতে পারি না বলে মার্কেটিংয়ে ব্যর্থ হই। এ সমস্যা মোকাবেলার জন্য প্রচুর পড়াশোনা, মানুষের সঙ্গে মেশা ও কেস স্টাডি করার পরামর্শ দেন তিনি।

তিন দিনের এই মার্কেটিং ফেস্টে বিজ্ঞাপন মার্কেটিং প্রতিযোগিতা, ব্র্যান্ড বিল্ডিং প্রতিযোগিতা, মার্কেটিং কেস প্রতিযোগিতা, বিজনেস কুইজ, ডিজিটাল মার্কেটিং গেম, মার্কেটিং বিতর্কসহ বিভিন্ন ইভেন্ট ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

Comments are closed.