Department of Innovation & Entrepreneurship

Department of Innovation & Entrepreneurship

আমার Department of Innovation & Entrepreneurship এ পড়ার যাত্রা টা খুব মধুর এবং স্মৃতিময়।

আমরা কি জানি, ভারতের জন্য চতুর্থ বৃহত্তম রেমিট্যান্স উৎস বাংলাদেশ, এটা কি আমদের জন্য লজ্জাজনক নয়, কেন বাংলাদেশে এমন লিডার তৈরি হচ্ছে না, কোন দিক থেকে আমরা পিছিয়ে, সময় এসেছে ভাবার, এভাবে একটি জাতির উন্নতি হতে পারে না। অন্য দিকে আইবিএ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, তারা ভাল ম্যানেজার তৈরি করছে কিন্তু লিডার করছে না। কিন্তু Department of Innovation & Entrepreneurship বেষ্ট ম্যানেজার এবং লিডার তৈরি করছে যা এই ভারতীয় ম্যানেজারদের বিকল্প।
আমার এই ডিপার্টমেন্ট এর খোজ পাই এক ছোট ভাই এর মাধ্যমে এর পর নিজেই খোঁজ নিতে শুরু করার পর দেখলাম এই ডিপার্টমেন্ট এর হেড আমারই ফ্রেন্ড এর বড় বোন এর পরিচিত। আমি জিজ্ঞাসা করলাম ওনার বেপারে, একটাই জবাব পেলাম-“ভর্তি হয়ে যাও”।
আমি যখন ২০১৫ সালে ভর্তি হই এই ডিপার্টমেেন্ট তখন খুব নাজুক সময় ছিল কারন সবার কথা একটাই এটা কি ডিপার্টমেন্ট, এখানে কি পড়াশুনা করানো হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি যখন সবাই কে বলি যে আমি উদ্যোক্তা হতে চাই সবার একটু দ্বিধা ছিল, তবে বাবা মা সব সময়ই একটা অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করতো, তারা বিশ্বাস করতো।
একটি মানুষ এর হাত ধরে আমার পথ চলা তিনি আমার শিক্ষক, গুরু এবং বাবা মার পরের স্থান, আমার ডিপার্টমেন্ট এর এক্স-হেড মারুফ রেজা স্যার।
এই ডিপার্টমেন্ট আমাকে যা দিয়েছেঃ
• সমাজে একটি আলাদা পরিচয়।
• প্রথম বারের মত আমি জাতীয় চাম্পিওন হই একটি আন্তর্জাতিক Start-up competition এ।
• উদ্যোক্তা বলতে আমরা কি বুঝি?
• একজন উদ্যোক্তা যে সুধু ব্যবসায়ী হবে তা না, Intrapreneur ও হতে পারে, উদ্যোক্তা বিষয়টা কিন্তু অনেক বড়।
• নিজেকে যুগ এর সাথে তাল মিলিয়ে গরে তোলা।
• আমকে চাকুরীজিবি হিসেবে না বরং একজন মালিক হিসেবে চিন্তা করতে শিখিয়েছে।
• একজন উদ্যোগী হিসেবে গড়ে তুলেছে।
• সমাধানে বিশ্বাসী, সমস্যায় নয়।
• মাল্যাশিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয় এ পড়ার সুযোগ।
• প্রাকটিক্যাল পড়াশুনা করার সুযোগ।
• সফট স্কিল্।
• স্বাধীন চিন্তাভাবনা
• উদ্যোগ নেওয়া
• লিডারশিপ, ইত্যাদি।

আমার পড়াশুনা শেষ এর দিক, এর মাঝেই আমি একটি ডিজিটাল মার্কেটিং ফার্ম এ Business development executive হিসেবে কাজ করছি। কাজ করতে গিয়ে দেখছি, আমার কোনো কষ্ট কিন্তু বৃথা যায়নি। ২১ শতাব্দীর ৪র্থ শিল্প বিপ্লব আইসিটি এবং সফট স্কিল্ এবং আইওটি যে ভাবে আমদের গ্রাশ করে নিচ্ছে তাতে করে এই ডিপার্টমেন্টের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম।

যেহেতু উদ্যোক্তা বাংলাদেশে নতুন একটি ধারণা এবং খুব কম লোকই এ সম্পর্কে জানে। Department of Innovation & Entrepreneurship প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে আমাদের যুব সমাজ যেন initiative taker এবং Leader হতে পারে।
আমাদের সমাজে উদ্যোগী মানুষের বড় অভাব, আমাদের বাবা মা অথবা আমাদের সমাজ যা বলছে আমরা তাই করছি যার ফলে একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে মাত্র ৪৭% graduate চাকরি পাচ্ছে, আমরা নিজেরাই যে কোন উদ্যোগ নিয়ে ভাল কিছু করতে পারি তা বিশ্বাস করতে চায় না, হয়ত আমাদের বাবা মা রা আমাদের অনেক বেশি ভালবাসেন বলেই এই অবস্থা। কিন্তু আমাদের বাবা মাদেরও বুঝা উচিৎ পৃথিবী অনেক দ্রুত পালটাচ্ছে, সেই গতিতে আমরা যদি না শিখতে পারি আমরা পিছিয়ে পরবো।

সর্বোপরি আমি আমার ডিপার্টমেেন্টর কাছে ঋণী এবং এই ডিপার্টমেেন্টর প্রতিষ্ঠাতা সবুর খান, চেয়ারম্যান, ড্যাফোডিল আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়, যিনি একজন মহান ব্যক্তিত্বের অধিকারী, একজন স্বপ্নদর্শী নেতা।

আমি গর্ব করি আমার ডিপার্টমেেন্টর, কারণ আমরা বাংলাদেশের ইতিহাসের সাক্ষী।

Written By: Atikur Rahman

Comments are closed.